সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আমার গল্প

আমি একটা গল্প লিখব, যে গল্পে রাজা না খেয়ে মরবে চাষা গোলায় ধান ভরেনি বলে।
আমি একটা গল্প লিখব, যে গল্পে রানী গর্ভবতী হবে কিন্তু তার ছেলে যুবরাজ হবে না।
আমি একটা গল্প লিখব, যে গল্পে মিথ থাকবে,বায়োস্কোপ থাকবে কিন্তু মিথ্যাচার রবে না।
আমি একটা গল্প লিখব, যে গল্পে তরুণী নগ্ন হয়ে পথে নামবে কিন্তু ধর্ষিতা হবে না।
এমন একটা গল্প,এমন একটা গল্প লিখব যার পাঠকেরা হাঁটবে ঘোর লাগা পথে।

আমি একটা শহর বানাবো,যে শহরে বিজলী বাতি থাকবে না
কিন্তু আলোকিত হবে হাজার  মানুষ দ্বারা।

আমি একটি যুদ্ধ সাজাবো, রণকৌশলে কেউ যাবে না মারা।
মানুষের সাথে মানুষ হাঁটবে,নরের সাথে নারী
মতামতে অমত হলেও কেউ নেবে না আড়ি।

আমি একটা মিছিলে স্লোগান দেব,যে মিছিলে থাকবে না কোন দাবী।
শুধু পুষ্প ঝরবে স্লোগানকারীদের মুখ থেকে,
মিছিলে যোগ দিবে সব পাপমোচনকারী পাপী।

আমি একটি নৌকা ভাসাবো, যে নৌকা ঝড়ে পড়লে মাঝি হবে সব যাত্রী।
হাত গুটিয়ে , পা গুটিয়ে কাটাবেনা কেউ রাত্রী ।

বিষাদমুখ,বিষন্নমুখ রবে না নাগরিকের।
আজকেই  হয়তো হবে না  সে গল্প লেখা,
কাজ বাকী আগামীদিনের।

-         সায়েম ,২৩/৬/১২, অকল্যান্ড।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বেদখল

আমাগো বাড়ি দখল হয়া গেছে, আমগো বাড়ির চারপাশে এখন বাউন্ডারি বয়া গেছে। আমগো কইছিল হুমুন্দির পুত-'বাড়ি ছাড় নইলে লাস ফালায় দিমু' আমরা ক্যাচাল করি নাইকা, আমরা কইছিলাম- সময় দেন, আপসেই সইড়া যামু। আমগো সময় দেই নাইকা, আমরা আসমানের নিচে হুই, আমগো কেউ কয় আমরা ছিন্নমূল, কেউ কয় আবে বস্তিত গিয়া থাক,ঐ। আমরা মাথা নাড়াই, ভেজালের কারবার করিনা, আমার পোলা স্মাগলার, নইলে কিলার-শ্যুটার হইব, ভয় পায়না। আমগো বাড়ি দখল কইরা দেন, আমি আপনার শত্রুরে মাইরা দিমু, আমগো পোলাপাইন পড়া লেহা করব, ওগো মানুস বানামু।

দৃষ্টি এবং ইচ্ছের দেবতার প্রতি প্রশ্ন

যখন দৃষ্টি সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর যেতে চায় তখন কেন জানি আচমকা চোখ ফিরিয়ে নেই। আমার দৃষ্টি কী ক্ষীণ? আমার দৃষ্টি কী ভীরূ? নাকি আমার ইচ্ছের দেবতা আমার দৃষ্টিকে আর যেতে দেয় না? ইচ্ছের দেবতা কী আর সাহস পায় না? প্রগাঢ় লজ্জায় দেবতা আমায় বলে “দৃষ্টিরও একটা সীমা মানতে হয়,কখনোই দৃষ্টিকে সীমাহীন হতে দেব না”। এই দেবতার নাম নাকি ইচ্ছে দেবতা! সমাজের সুশীল সমাজের বাইরের মানুষরা তাই গালি দেয়- উদ্দেশ্য এই ‘ইচ্ছে দেবতা’,আর সুশীলরা দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন! ইচ্ছের দেবতা কে আমার প্রশ্ন-“ তোমায় দেবতা বানালো কে?আমি না আমরা? নাকি মহামতি ঈশ্বর? নাকি আমাদের সমাজ তোমায় পঙ্গু করলো”?

আবেগের সাথে কথোপকথন

ভালবাসার উড়ন্ত ঘুড়ি তোমায় দিলাম, সারাজীবন মেঘ হয়ে পাশে ছিলাম। বৃষ্টি হয়ে কখনো শীতল পরশ দিতাম, তোমার সাথে অল্পতেই হারিয়ে যেতাম। তোমার বাম কানটায় বলতাম ভালবাসি। রিনিঝিনি নূপুরের মতো কানে বাজতো সেই হাসি। কখনোবা তুমুল বর্ষণে হারিয়ে যাওয়া, তোমার ভালবাসায় তোমার কাছে ছুটে যাওয়া। স্বপ্ন দেখতাম দুজনে নীল নদে স্নান করবো অথবা বালুকাবেলায় হেঁটে বেড়াবো। নির্জন কোন দ্বীপে ঘর বানাবো। নৌবিহারে দুজনার স্বপ্ন সাজাবো। সবুজ জোনাকী আর সাদা ঝিনুক দিব তোমায় উপহার স্বপ্ন ছিল দিবো একদিন ওই দূরের পাহাড়। তোমায় বুকে নিয়ে একের পর এক কবিতা পড়ব অথবা আমিও তোমার মতই একদিন শূণ্যে পালাব।