সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নিশাচর



আমার বাড়ির পাশের উঠানে জোনাকী জ্বলজ্বল করে।
আর তারারা মিটিমিটি জ্বলে আকাশে।
রাত যতো বাড়ে রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলো ততোই বাড়ে।
কুকুরের গর্জন আরও বেশী কর্কশ লাগে।
হালকা হিমেল বাতাসে শরীরে ঠান্ডা অনুভূতি জাগে।
আকাশটায় চাঁদ না থাকলে মনে হয় অন্ধকার কুয়া।
ঐ কুয়ার পানিতে পড়লে আমার আর রক্ষা নাই,
তাই চাঁদ না থাকলে আমি আর আকাশে তাকাই না।
যখন পূর্ণিমা থাকে আমার বাড়ির পাশের উঠানের ঘাসগুলোয় মনে হয় কেউ আলো মাখিয়ে দেয়।
ঘাসগুলো দিনে স্নান না করে পূর্ণিমার রাতে স্নান করে।
হঠাৎ দূরে কোথাও পেঁচার গম্ভীর ডাক শুনি।
মনে পড়ে যায় ক্যাম্পাসে শোনা শেয়ালের ডাকের কথা।
রাতের আলো আঁধারির খেলার রহস্যে আমি হারাই আমার মাঝে,
কখনোবা খেয়ালের ফাঁদে কানে আসে আজানের ধ্বনি,বুঝি ঘুমানোর সময় এসেছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বেদখল

আমাগো বাড়ি দখল হয়া গেছে, আমগো বাড়ির চারপাশে এখন বাউন্ডারি বয়া গেছে। আমগো কইছিল হুমুন্দির পুত-'বাড়ি ছাড় নইলে লাস ফালায় দিমু' আমরা ক্যাচাল করি নাইকা, আমরা কইছিলাম- সময় দেন, আপসেই সইড়া যামু। আমগো সময় দেই নাইকা, আমরা আসমানের নিচে হুই, আমগো কেউ কয় আমরা ছিন্নমূল, কেউ কয় আবে বস্তিত গিয়া থাক,ঐ। আমরা মাথা নাড়াই, ভেজালের কারবার করিনা, আমার পোলা স্মাগলার, নইলে কিলার-শ্যুটার হইব, ভয় পায়না। আমগো বাড়ি দখল কইরা দেন, আমি আপনার শত্রুরে মাইরা দিমু, আমগো পোলাপাইন পড়া লেহা করব, ওগো মানুস বানামু।

দৃষ্টি এবং ইচ্ছের দেবতার প্রতি প্রশ্ন

যখন দৃষ্টি সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর যেতে চায় তখন কেন জানি আচমকা চোখ ফিরিয়ে নেই। আমার দৃষ্টি কী ক্ষীণ? আমার দৃষ্টি কী ভীরূ? নাকি আমার ইচ্ছের দেবতা আমার দৃষ্টিকে আর যেতে দেয় না? ইচ্ছের দেবতা কী আর সাহস পায় না? প্রগাঢ় লজ্জায় দেবতা আমায় বলে “দৃষ্টিরও একটা সীমা মানতে হয়,কখনোই দৃষ্টিকে সীমাহীন হতে দেব না”। এই দেবতার নাম নাকি ইচ্ছে দেবতা! সমাজের সুশীল সমাজের বাইরের মানুষরা তাই গালি দেয়- উদ্দেশ্য এই ‘ইচ্ছে দেবতা’,আর সুশীলরা দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন! ইচ্ছের দেবতা কে আমার প্রশ্ন-“ তোমায় দেবতা বানালো কে?আমি না আমরা? নাকি মহামতি ঈশ্বর? নাকি আমাদের সমাজ তোমায় পঙ্গু করলো”?

আবেগের সাথে কথোপকথন

ভালবাসার উড়ন্ত ঘুড়ি তোমায় দিলাম, সারাজীবন মেঘ হয়ে পাশে ছিলাম। বৃষ্টি হয়ে কখনো শীতল পরশ দিতাম, তোমার সাথে অল্পতেই হারিয়ে যেতাম। তোমার বাম কানটায় বলতাম ভালবাসি। রিনিঝিনি নূপুরের মতো কানে বাজতো সেই হাসি। কখনোবা তুমুল বর্ষণে হারিয়ে যাওয়া, তোমার ভালবাসায় তোমার কাছে ছুটে যাওয়া। স্বপ্ন দেখতাম দুজনে নীল নদে স্নান করবো অথবা বালুকাবেলায় হেঁটে বেড়াবো। নির্জন কোন দ্বীপে ঘর বানাবো। নৌবিহারে দুজনার স্বপ্ন সাজাবো। সবুজ জোনাকী আর সাদা ঝিনুক দিব তোমায় উপহার স্বপ্ন ছিল দিবো একদিন ওই দূরের পাহাড়। তোমায় বুকে নিয়ে একের পর এক কবিতা পড়ব অথবা আমিও তোমার মতই একদিন শূণ্যে পালাব।