সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মধ্যযুগের আধুনিক শব্দ সৈনিক-তোমাদের অভিবাদন !

আমরা সাফল্যের সাথে পৌঁছে গিয়েছি মধ্যযুগে
আধুনিকতার পোষাক পড়ে।
যেখানে ল্যাপটপ-ডেস্কটপের সাথে ছবি
মাথা নিচু শব্দ সন্ত্রাসী।

আমরা খুঁজে পেয়েছি অনেক অনেক অস্ত্র
আগে অস্ত্র বলতে বুঝাতাম রামদা-চাপাতি কিংবা কালাশনিকভ
এখন অস্ত্র মানে এক্সটারনাল হার্ডডিস্ক, কিউবির মোডেম।
মাথা নিচু শব্দ সৈনিক।

মাথা থেঁতলে দিল যারা পুলিশের
তারা ধরা পড়ল না।
পুলিশের রেশন বাড়ানো উচিত এমন চিন্তাকারী
ভয়ে উঠে যায় ডিবি'র মাইক্রোতে।

ধরা পড়লনা বাসে যে আগুন লাগালো
ধরা পড়ল সুব্রত শুভ
সমস্ত অশুভ শব্দ উচ্চারণকারী
বিপ্লবদা,জানি উঁনি সদ্যবিবাহিত।

মধ্যযুগে এখন আমরা পাথর ঘষি
নিঃশঙ্কচে মেরে ফেলি আপন প্রজাতির বাইসন
ঘরে এনে পুষতে থাকি
গন্ধে ভরা কতগুলো শেয়াল।

কবির খাতা কবি বেঁচে দিবে
সুব্রতের ল্যাপটপ সুব্রত বেঁচে দিবে
আরজ আলি মাতুব্বর সব বই জ্বালিয়ে দিবে
আমরা ঘুমাবো অবার্চীনের মত,
তুমি পাহারা দিও,গড়ে তোল স্বপ্নের পাক ভূমি।

3 April 2013

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বেদখল

আমাগো বাড়ি দখল হয়া গেছে, আমগো বাড়ির চারপাশে এখন বাউন্ডারি বয়া গেছে। আমগো কইছিল হুমুন্দির পুত-'বাড়ি ছাড় নইলে লাস ফালায় দিমু' আমরা ক্যাচাল করি নাইকা, আমরা কইছিলাম- সময় দেন, আপসেই সইড়া যামু। আমগো সময় দেই নাইকা, আমরা আসমানের নিচে হুই, আমগো কেউ কয় আমরা ছিন্নমূল, কেউ কয় আবে বস্তিত গিয়া থাক,ঐ। আমরা মাথা নাড়াই, ভেজালের কারবার করিনা, আমার পোলা স্মাগলার, নইলে কিলার-শ্যুটার হইব, ভয় পায়না। আমগো বাড়ি দখল কইরা দেন, আমি আপনার শত্রুরে মাইরা দিমু, আমগো পোলাপাইন পড়া লেহা করব, ওগো মানুস বানামু।

দৃষ্টি এবং ইচ্ছের দেবতার প্রতি প্রশ্ন

যখন দৃষ্টি সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর যেতে চায় তখন কেন জানি আচমকা চোখ ফিরিয়ে নেই। আমার দৃষ্টি কী ক্ষীণ? আমার দৃষ্টি কী ভীরূ? নাকি আমার ইচ্ছের দেবতা আমার দৃষ্টিকে আর যেতে দেয় না? ইচ্ছের দেবতা কী আর সাহস পায় না? প্রগাঢ় লজ্জায় দেবতা আমায় বলে “দৃষ্টিরও একটা সীমা মানতে হয়,কখনোই দৃষ্টিকে সীমাহীন হতে দেব না”। এই দেবতার নাম নাকি ইচ্ছে দেবতা! সমাজের সুশীল সমাজের বাইরের মানুষরা তাই গালি দেয়- উদ্দেশ্য এই ‘ইচ্ছে দেবতা’,আর সুশীলরা দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন! ইচ্ছের দেবতা কে আমার প্রশ্ন-“ তোমায় দেবতা বানালো কে?আমি না আমরা? নাকি মহামতি ঈশ্বর? নাকি আমাদের সমাজ তোমায় পঙ্গু করলো”?

আবেগের সাথে কথোপকথন

ভালবাসার উড়ন্ত ঘুড়ি তোমায় দিলাম, সারাজীবন মেঘ হয়ে পাশে ছিলাম। বৃষ্টি হয়ে কখনো শীতল পরশ দিতাম, তোমার সাথে অল্পতেই হারিয়ে যেতাম। তোমার বাম কানটায় বলতাম ভালবাসি। রিনিঝিনি নূপুরের মতো কানে বাজতো সেই হাসি। কখনোবা তুমুল বর্ষণে হারিয়ে যাওয়া, তোমার ভালবাসায় তোমার কাছে ছুটে যাওয়া। স্বপ্ন দেখতাম দুজনে নীল নদে স্নান করবো অথবা বালুকাবেলায় হেঁটে বেড়াবো। নির্জন কোন দ্বীপে ঘর বানাবো। নৌবিহারে দুজনার স্বপ্ন সাজাবো। সবুজ জোনাকী আর সাদা ঝিনুক দিব তোমায় উপহার স্বপ্ন ছিল দিবো একদিন ওই দূরের পাহাড়। তোমায় বুকে নিয়ে একের পর এক কবিতা পড়ব অথবা আমিও তোমার মতই একদিন শূণ্যে পালাব।