সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পথের খোঁজ

অনেক বছর যাবত খুঁজে বেরাচ্ছি একটি পথ।
পথে থাকবে না কোন কাঁটা আর তীক্ষ্ণ কঙ্কর,
চারপাশে বয়ে যাবে স্বাধীনতার বাতাস আর হালকা মিষ্টি গন্ধ।
পথের ধারে ফুটবে গোলাপ,হাস্নাহেনা আর বেলি ফুল,
মাধবি লতার সুবাসে ভরে উঠবে সমস্ত পৃথিবী।

আকাশে ডানা মেলে উড়ে যাবে গাঙচিল।
পথের পথিকেরা থাকবে অকুতোভয় আর নিঃসঙ্ক চিত্তে হেঁটে বেড়াবে।
সমুদ্রের মাছেরা যেমন চঞ্চল চিত্তে ঘুরে বেড়ায় -
ঠিক তেমনি ঐ পথটার পথিকেরা হাঁটবে।

আমার সকল চিন্তা আজ ঐ পথকে কেন্দ্র করে।
শ্রেনীহীন পথ,বৈষম্যহীন পথ।
যে পথে কাঁদেনা অসহায় পিতৃ-মাতৃহীন শিশু
আর জোর করে কেঊ কেড়ে নেয় না কারো অধিকার ।


[উৎসর্গ- আমার প্রাণপ্রিয় কমরেড, আমার ভাই সুদীপ্ত দা কে]

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বেদখল

আমাগো বাড়ি দখল হয়া গেছে, আমগো বাড়ির চারপাশে এখন বাউন্ডারি বয়া গেছে। আমগো কইছিল হুমুন্দির পুত-'বাড়ি ছাড় নইলে লাস ফালায় দিমু' আমরা ক্যাচাল করি নাইকা, আমরা কইছিলাম- সময় দেন, আপসেই সইড়া যামু। আমগো সময় দেই নাইকা, আমরা আসমানের নিচে হুই, আমগো কেউ কয় আমরা ছিন্নমূল, কেউ কয় আবে বস্তিত গিয়া থাক,ঐ। আমরা মাথা নাড়াই, ভেজালের কারবার করিনা, আমার পোলা স্মাগলার, নইলে কিলার-শ্যুটার হইব, ভয় পায়না। আমগো বাড়ি দখল কইরা দেন, আমি আপনার শত্রুরে মাইরা দিমু, আমগো পোলাপাইন পড়া লেহা করব, ওগো মানুস বানামু।

দৃষ্টি এবং ইচ্ছের দেবতার প্রতি প্রশ্ন

যখন দৃষ্টি সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর যেতে চায় তখন কেন জানি আচমকা চোখ ফিরিয়ে নেই। আমার দৃষ্টি কী ক্ষীণ? আমার দৃষ্টি কী ভীরূ? নাকি আমার ইচ্ছের দেবতা আমার দৃষ্টিকে আর যেতে দেয় না? ইচ্ছের দেবতা কী আর সাহস পায় না? প্রগাঢ় লজ্জায় দেবতা আমায় বলে “দৃষ্টিরও একটা সীমা মানতে হয়,কখনোই দৃষ্টিকে সীমাহীন হতে দেব না”। এই দেবতার নাম নাকি ইচ্ছে দেবতা! সমাজের সুশীল সমাজের বাইরের মানুষরা তাই গালি দেয়- উদ্দেশ্য এই ‘ইচ্ছে দেবতা’,আর সুশীলরা দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন! ইচ্ছের দেবতা কে আমার প্রশ্ন-“ তোমায় দেবতা বানালো কে?আমি না আমরা? নাকি মহামতি ঈশ্বর? নাকি আমাদের সমাজ তোমায় পঙ্গু করলো”?

বিষন্ন দেয়াল

তোমার বিষন্ন দেয়ালে আমি জানালা তুলতে বলেছিলাম, জানালার ফাঁক দিয়ে আলো আসবে,তাও জানিয়েছিলাম। তুমি দেয়ালটাই ভেঙে দিলে! তোমার উঠোনে শাড়ি মেলা ছিল, আমার হাতে ছিল লাল ঘুড়ি, তোমার ভাঙা দেয়ালে যে এখনো স্বপ্ন মুড়ি। নিয়ন আলো জ্বলে,ঘুমিয়ে থাকা রাস্তায়, তোমার উঠোনে কালকের মেলা শাড়ি, শুকিয়ে আবার ভিজে যায়। পরশুর চলে যাওয়া মেঘ ঘুরেফিরে আসে, তোমার ঝালাই করা শেকলে আমি আঁচড় কাটি। ব্যতিব্যস্ত জনপদে এখনো নানা জায়গায় দেয়াল তোলা, অন্য কারো আঁচড়ে তোমার শরীর রক্তাক্ত হয়। আমার হাতের লাল ঘুরি ছিড়ে পড়ে যায়, মাটিতে পড়ে থাকা নাটাই আমি তুলি না।